জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ
- আপলোড সময় : ০৭-০৬-২০২৬ ১২:৫০:২৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৭-০৬-২০২৬ ১২:৫০:২৯ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা ও প্রেমের অমর বার্তাবাহক জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর সৃষ্টিশীলতা ও জীবনদর্শন আজও বাঙালির চেতনায় প্রেরণার উৎস। সেই চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সুনামগঞ্জে পালিত হয়েছে জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকী।
শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাসন রাজা মিলনায়তন পরিণত হয় নজরুলচর্চার এক প্রাণবন্ত আসরে। সুরালোক সংগীত বিদ্যালয় ও সাংস্কৃতিক সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুরালোক সংগীত বিদ্যালয়ের সভাপতি সন্তোষ কুমার চন্দ। সঞ্চালনায় ছিলেন রিপন চন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং দৈনিক সুনামগঞ্জের ডাক-এর সম্পাদক ও প্রকাশক অধ্যক্ষ (অব.) শেরগুল আহমদ।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী, সুনামগঞ্জ বাউল সমিতির সাধারণ স¤পাদক সেলিম আহমেদ, সংস্কৃতিকর্মী মানস চন্দ্র রায়, অভিভাবক স্বপন কুমার রায়, বুলবুল সংগীত নিকেতনের সভাপতি প্রীতিভূষণ চক্রবর্তী, জেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্র প্রশিক্ষক মঞ্জু তালুকদার, লোকদল শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি বিধান চন্দ্র বণিক বাঁধন, সংগীতশিল্পী প্রসেনজিত দে পিনু, আবৃত্তিকার রবিউল ইসলাম পুলক।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে নজরুলের সাহিত্যকর্ম, সংগীত, মানবতাবাদী দর্শন ও সামাজিক ন্যায়ের পক্ষে তাঁর অবস্থানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের যে স্বপ্ন নজরুল দেখিয়েছিলেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক আয়োজন। জাতীয় কবির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিবেশিত হয় নজরুলসংগীত, আবৃত্তি ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। শিল্পীদের কণ্ঠে ও আবৃত্তিতে জীবন্ত হয়ে ওঠে কবির বিদ্রোহী চেতনা, প্রেম ও মানবতার বাণী। দর্শক-শ্রোতাদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় সাংস্কৃতিক মিলনমেলা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ